গত ১লা নভেম্বর সিডনির হলিডে ইন হোটেলে আস্ট্রেলিয়া আওয়ামি লীগ আয়োজিত “বাংলাদেশ এবং শেখ মুজিব” শীষক আলোচনা স ভা আনুস্টিত হয়ে গেল ব্যাপক উৎ সাহ আর উদ্দিপ নার সাথে। আনুস্টানে উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামেলীগ এর কাযক রী পরিষদের যুম্ম সচিব “মাহবুব-উল-আল ম-হানিফ”

সনাতন রাজনৈতিক সভাকে পেছনে ফেলে আস্ট্রেলিয়া আওয়ামি লীগ এক টি দারুন আভিজ্ঞতা উপহার দিল। আস্ট্রেলিয়া আওয়ামি লীগ সাধারন সম্পাদক পি এস চুন্নুর

উপভোগ্য  আলোচনা সভার প্রথম সারিতে ছিলেন নব নিবাচিত প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সিরাজুল হক, সেএটারী পি,এস চুন্নু, উপদেস্টাদের মধ্যে ছিলেন গামা আব্দুল কাদের, ডঃ মাসুদ, ডঃ রাফিক এবং ডঃ বোরহান উদ্দিন। 

 

অনুস্টানে আনেকের মাঝে উপস্তিত ছিলেন, কলামিস্ট আজয় দাস গুপ্ত,জন কন্ঠ সাংবাদিক এবং বতমানে ফোকাস বাংলার সাংবাদিক ফাজলুল বারি এবং কলামিস্টন লেখক এবং বাসভুমির সম্পাদক আকিদুল ইসলাম।

সভাব সুলভ উপভোগ্য বক্তব্য উপস্থাপন করেন আজয় দাস গুপ্ত, কিছু প্রশ্নের তীর ছুড়েদেন প্রধান আতিথির দিকে, প্রশ্ন করেন, সমালোচনা করেন, উপশ্তিত দশকদের সমথন লাভ করেন। একটি প্রস্ন তিনি বার বার করে- তা হ্ল, কবে শেষ হবে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার, কবে শেষ হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।

বৈঠকে  ফাজলুল বারির শুরুতেই প্রবাসে বাংলাদেশীদের নানা সমস্যার কথা ব লেন, জিয়া বিমান বন্দরে ভোগান্তির কথা বলেন, দেশের বাইরের মাটিতে বাংলাদেশদের দুরদশার কথা বলেন। সবাইকে কিছুটা আবেগাপ্লুত করে নিজের বক্ত্যব্য শেষ করেন।

লেখক, কবি, নাট্যকার আর বাসভুমির সম্পাদক যখন বক্ত্যব্য শুরু করলেন, মনে হচ্ছিল এই বুঝি একটি বিদ্রহের কবিতা শুরু হবে, আকিদ ভাই শুরু করলেন বালি হাস এর গল্প দিয়ে,গল্পটি বঙ্গবন্ধু যেদিন নিহত হন সেদিন সকালের, বঙ্গবন্ধুর একজন কাছের মানুষ বেগম মুজিবের কাছে বালি হাস রান্না করে নিয়ে এসেছিলেন, বলেছিলেন “মুজিব বালি হাস খুব পছন্দ করে” অনুরোধ  করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকে বালি হাসের তরকারি দিয়ে ভাত খাওয়াতে। সেই বালি হাসের বাহক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী প্রমানিত না হলেও, ঘটনাটি সবাইকে ব্যথিত করে। তিনি জানতে চাইলেন, কবে শেষ হবে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার, কবে শেষ হবে যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার।  তিনি বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ কে বার বার নিবাচনের স ময় যুদ্ধাপ রাধীদের বিচারের বিষয়টি সামনে আনার অভিযোগ করেন।

আনুস্টানের এক পযায়ে পি এস চুন্নু আমন্ত্রন করেন গাজী আব্দুল গামা ভাই কে। সিডনীর আধিকাংশ আনুস্টানের সামনের সারির দশক, আওয়ামী ঘরানার মুরব্বী, যিনি সাদা চুল আর সাদা পাঞ্জাবি দিয়ে সিডনির নাজনৈতিক মহলের প্রধান আকষনে পরিনত হয়েছেন, গামা ভাই যখন বক্ত্যব্য রাখতে আসেন, তিনি ছিলেন সভাব সুলভ লাজুক। আগের সব বক্ত্যাদের সাথে সুর মিলিয়ে তিনিও দাবি করেন, বঙ্গবন্ধু আর যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার। তিনি আস্ট্রেলিয়ার মাটিতে যুদ্ধাপ রাধীদের বিচারের জন্য জনমত   সৃস্টির জন্য বাংলদেশ আওয়ামেলীগের কাছে নিদেশ প্রাথনা করেন। তিনি মন্ত্যব্য করেন যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ওনেক বাধা আসতে পারে, প্রয়োজন হবে আন্তজাতিক সহোযগিতার। তিনি বললেন এখনই সময়। মাচ মাসের মধ্যে যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার করার জন্য এখন থেকেই বাংলদেশ আওয়ামেলীগকে জনমত সৃস্টি করতে হবে।

 

আনুস্টানের এক পযায়ে বক্ত্যব্য দিতে আসেন আতিথি। তিনি শুরু করেন, কস্টের কথা দিয়েগতো সরকারের আমলে কিভাবে আওয়ামেলীগের কমীদের উপর নি্যাতন করা হয়েছে, কিভাবে গুলিস্তানে আওয়ামেলীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়ে ছিল, আতিথির নিজের বাস্তব আভিজ্ঞতার বননা উপস্তিত সবায়কে করেছে ব্যাথিত। তিনি বললেন অনেক কথা, যা শোনার সময় মনে হচ্ছিল, এই হত্যার রাজনীতি কবে বন্ধ হবে? কবে থেকে আমরা রাজনৈতিক সভায় হত্যা নয় দেশের নানাবিধ প্রয়োজন আর আর কমপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে পারব?

 

 

 

 

 

 

 

আতিথি এক সময় পুববতী বক্তাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে শুরু করলেন। তিনি বললেন সবার মত তিনিও ব্যাথিত, তি নি উল্লেখ করলেন বাংলদেশ আওয়ামেলীগ ইতিমধ্যেই বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার শুরু করেছেন এবং খুব শীঘ্রই তা শেষ হবে। এবং তিনি আজয় দাশ গুপ্তের প্রশ্নের উত্তরে বলেন “ইনশাল্লাহ ২০১০ মাচ মাসের আগেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। তিনি এক পযায়ে আকিদুল ইসলামের আভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন “বাংলদেশ আওয়ামেলীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিবাচনে জয়লাভ করার জন্য ব্যাবহার করতে চাই না, বরং বাংলার মাটিতেই যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার আওয়ামেলীগ আগামী মাচ মাসের মধ্যে হবে” এই পযায়ে উপ স্তিত আওয়ামেলীগের নেতা কমীরা করতালী দিয়ে জনাব হানিফের  প্রতি সমথন জানান।

 

সব শেষে বক্তব্য দিতে আসা, ব্যারিস্টার সি রাজুল হক কিছুটা আবেগ প্রবন হয়ে পড়েন, প্রথম বারের মত প্রেসিডেন্ট হিসাবে  বক্তব্য দিতে এসে। তিনি নব নিবাচিত সাধারন সম্পাদক কে আভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

রাতে খাবারের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় আলোচনা সভা, কিন্তু আলোচনা সভাতে  প্রশ্ন উত্তর পব  থাকলে আরো প্রানবন্ত হতো বলে আনেকে মন্ত্যব্য করেন ।

 
এই ভদ্রলোক প্রধান আতিথির বক্তব্য শুরু করার ঠিক আগে মঞ্চে এগিয়ে আসেন একটি প্রশ্ন করার জন্য। আসাদাচরনের কারনে তাকে বসিয়ে দেয়া হয়। পরে কথা বলে জানা যায়, তিনি সবার সামনে প্রধান আতিথিকে একটি প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন, তা হ্ল - মাচ মাসের আগে যেন যুদ্ধাপ রাধীদের বিচার শেষ হয় হবে কিনা...?