গত ৮ই আগস্ট, আনকানুর উদ্যগে সিডনির মাকুয়ারী ফিল্ডে সুটিং হলো বিটিভি ওয়াল্ড এর জন্য নিমিত টকশো, বিষয়বস্তু ছিল “বাংলাদেশে কেন এখন আর মুক্তিয়ুদ্ধ ভিত্তিক চলচিএ নিমান হয় না?"

আনকানুর

প্রতিস্টাতা এবং আশির দশকে বিটিভির ক্যামেরাম্যন কামাল ভাই, বিটিভির অনুরোধে সিডনিতে আয়োজন করেন এই টক শোর। আনকানু এবং সিডনির  বাংলা বাতার সহযোগিতা চমrকার এই টকশোর মুল বক্তা ছিলেন সিডনির প্রিও কিছু মানুষ। যাদের কেও রাজনীতিবিদ, কেও লেখক, কেও উদ্যোগতা।

বাংলাদেশে কেন এখন আর মুক্তিয়ুদ্ধ ভিত্তিক চলচিএ নিমান হয় না? সিডনিতে বসে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যথেস্ট কঠিন হলেও,টকশোতে আমন্ত্রিতরা তাদের যথাসাধ্য চেস্টা চালিয়ে যান প্রশ্নের উত্তর খুজতে। উপস্তিত দশকেরাও তাদের সাথে যোগ দেন, প্রশ্নের উত্তর অনুসান্ধানে।

বিশিস্ট রাজনীতীবিদ এবং আউস্ত্রালিয়াতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরিচিত মুখ শেখ শামীম, মন্তব্য করেন, চলচিত্রে এবং বাংলাদেশ মিডিয়াতে, বিভিন্ন সময়ে “পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী” শব্দটি উচ্চারন করতেই বাধা দেওয়া হয়েছে, পাকিস্তানী শব্দের বদলে বলা হয়েছে “ওরা’।

আজয় দাশ গুপ্ত পরিস্তিতির সমালোচনা করে বলেন, বাংলদেশে হানাদার মুক্ত হলেও হানাদারের ভয় রয়ে গেছে আমাদের মনে, তিনি আর ও মন্ত্যব্য করেন, বাংলাদেশের পরিচালকরা হয়তো ব্যবসায়িক সফলতার কথা চিন্তা করে মুক্তি যুদ্ধের চলচিএ নিমান করেন ন।

কথার সুত্র ধরে আস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগের জ়েনারেল সেক্রেটারী ব্যারিস্টার সিরাজুল হক বলেন সিরাজুদৈলার উপর পরিপুন চলচিএ নিমানে আমদের সময় লেগেছে ১২০ বছর, আর মুক্তিয়ুদ্ধের উপর চলচিএ নিমানে আমাদের কত সময় লাগবে, তা অনুধাবন করা যায়। তিনি মুক্তিয়ুদ্ধের চলচিত্র নিমানে মুক্তিয়ুদ্ধের মুল চেতনায় উদ্দিপিত হওয়ার প্রতি গুরুত্ত আরোপ করেন।

বাংলা বাতার সম্পাদক আসলাম মোল্লা বলেন মুক্তিয়ুদ্ধের চলচিত্রকে কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ করার অবকাশ নেই, মুক্তিযুদ্ধ সারা জাতির, মুক্তিয়ুদ্ধের চলচিত্র বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসের চলচিএ, আসলাম মোল্লার সাথে সুর মিলিয়ে আওয়ামীলীগের একটি আংশের তরুন নেতা আল নোমান শামীম বলেন, মুক্তিযুদ্ধ কোন রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি না, এটি সারা জাতির, তিনি আজয় দাশ গুপ্তের কথার সুত্র ধ রে মুক্তিয়ুদ্ধের চলচিত্র নিমানে সরকারী কর মওকুফের কথা বলেন। তিনি  “saving private ryan” এর কথা উল্লেখ করে বলেন বাংলাদেশে হাজারো মুক্তিয়ুদ্ধের কাহিনী আছে যা নিয়ে আসাধারন সব চলচিএ নিমান করা সম্ভব।

উপস্তিত দশকদের মধ্যে থেকে প্রস্ন উঠে, ব্যাবসায়িক সফলতার কথা, প্রস্ন উঠে, প্রবাসী বাংগালীরা, মুক্তি যুদ্ধের চলচিএ নিমানে কিভাবে অবদান রাখতে পারে, সে প্রস্ন,

টকশোর এক পযায়ে, আলোচনা করা হয়, মুক্তি যুদ্ধ ভিত্তিক চলচিএ “পলাশী থেকে ধানমন্ডি” ছবির কথা।

প্রশ্ন উঠে, কেন ছবিটির অধিকাংশ স্যুটিং হয়েছে কলকাতাতে ? কেন ছবিটি তে অভিনয় করতে বাংলাদেশের নামকরা এবং জনপ্রিয় অভিনেতারা অপারোগতা প্রকাশ করেন ? ছবির নাকরন নিয়ে প্রশ্ন উঠে, কেন ছবিটির নাম “পলাশী থেকে ধানমন্ডি” ?

পলাশীর ময়দানে বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৈলার পরাজয় এর সাথে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু হত্যার সম্পক কি ?

উত্তর মেলাতে কস্ট হয় উপস্তিত দশক আর বক্তাদের

তবুও থেমে থাকেনি টকশো, প্রত্যেকে প্রকাশ  করেন তাদের ক্ষোভের কথা।

হাজারো প্রশ্ন আর আলোচনার মাঝে একটি বিষয় স্পস্ট হয়ে উঠে যে, এখনও অনেক কাজ বাকি, দেশ হানাদার মুক্ত হলেও দেশি হানাদার রয়ে গেছে দেশে, রয়ে গেছে ভয়। সুদুর সিডনিতে বসেও উম্মুক্ত টক শোতে বক্তারা বলতে পারলেন না আনেক কথা, সরকার পরিবতনের সাথে সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর ইতিহাসের পরিবতন যেভাবে হয় তা মুক্তিযুদ্ধের চলচিএ নিমানে বড়ো বাধা, বিষয়টি আসেনি টকশোর আলোচনাতে, আসেনি সেই সব অভিনেতা অভিনেত্রির কথা যারা, মুক্তিয়ুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে নিমিত চলচিেএ অভিনয় করতে অপারোগতা প্রকাশ করেছিল, বোঝা গেল, এখনও অনেক কাজ বাকি,

সত্যিই অনেক কাজ বাকি, ২৯ বছর প রও আজকে আমরা অপেক্ষা করছি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য,

বাংলাদেশের সব মানুষ যখন কিছুদিন পরে ১৫ই আগস্টে, বঙ্গবন্ধুর হত্যা দিবস পালন করবে , এই ২০০৯ সালে, তখনও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ধরা ছোয়ার বাইরে,

সত্যিই অনেক কাজ বাকি।

তানভীর হাসান

POBD.NET

টক শোটি এ বছ রের কোন এক সময় বিটিভি ওয়াল্ডে প্রচারিত হবে।

     

POBD EVENTS 

 

POBD LOCALSHOME POBD SURVEY